Reading Time: 3 minutes
১৯৯৮ সালে হলিউডে এ পারফেক্ট মার্ডার সিনেমাটি মুক্তির সময় নিউ ইয়র্ক টাইমস–এর মুভি রিভিউর শিরোনাম ছিল–পারফেক্ট প্ল্যান, কিল মাই ওয়াইফ, প্লিজ……..।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি এ ধরণের পারফেক্ট প্ল্যানের কিন্তু অভাব নেই। আবার একটি পারফেক্ট প্ল্যান যদি পুলিশ নিজেই করে তাহলে?
১. ডায়াল এম ফর মার্ডার: সেরা থ্রিলার, আবার থ্রিলার গুরু হিচকক বলে কথা। টাকার জন্য সুন্দরী বউ মার্গটকে (গ্রেস কেলি) খুন করার পরিকল্পনা করে টনি ওয়েনডিচ।পরিকল্পনাটি ছিল নিখুঁত।খুবই ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু তারপর? এই প্লট নিয়ে এরপর নানা ধরণের সিনেমা হলেও ডায়াল এম ফর মার্ডারকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি কেউ।

২. এ পারফেক্ট মার্ডার: বউকে খুন করার আরেক বিখ্যাত সিনেমা। ডায়াল এম ফর মার্ডারের আধুনিক সংস্করণ। শেষটা অন্যরকম অবশ্য। পুরোপরি রিমেক না করে একটু ভিন্নভাবে শেষ করার চেষ্টা। সেদিক থেকেও সফলই বলা যায়। মাইকেল ডগলাস এক শেয়ার বিনিয়োগকারী। কিন্তু বাজারে ধরা খাওয়ার পর যে কোনো ভাবেই অর্থ দরকার। সুযোগটাও এসে গেল। পরিকল্পনা করলো ধনী ও সুন্দরী বউকে মারার। নেওয়া হলো প্রায় নিখুঁত এক পরিকল্পনা।

৩. ইনভেস্টিগেশন অফ এ সিটিজেন এভাব সাসপিশন: ইতালির ছবি। ১৯৭০ সালের এই ছবিটি বিদেশি ভাষার সেরা চলচ্চিত্রের অস্কার পেয়েছিল।এক পুলিশ অফিসারের কাহিনী, সে তার বান্ধবীকে খুন করে। তারপর শুরু করে নতুন এক কাহিনীর। ইচ্ছা করে নানা ক্লু রেখে যায় লাশের সঙ্গে। পরীক্ষা করে দেখতে শুরু করে, পুলিশ তাকে আসলেই ধরতে পারে কীনা।ভিন্নধর্মী এক ছবি।

রাষ্ট্র পুলিশকে যখন অবাধ ক্ষমতা দিয়ে দেয়, জবাবদিহির জায়গা রাখে না, উপরতলার সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত হয় তার পরিণতি কি হয় এই ছবিটা তারই প্রমান।
৪. বাইশে শ্রাবন: আরেক চতুর পুলিশের কাহিনী। গোটা কলকাতা জুড়ে একের পর এক খুন হচ্ছে এবং এর জন্য একজন সিরিয়াল খুনীকেই দায়ী করা হচ্ছে। খুনগুলো হচ্ছে বাংলা কবিতার লাইন অনুযায়ী যা খুনী লাশের পাশে রেখে যাচ্ছে।পুলিশ কর্মকর্তা অভিজিৎ (পরমব্রত) কেসটির দায়িত্ব পায়। খুনের ঘটনা জটিল আকার ধারণ করলে প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রবীরকে (প্রসেনজিৎ) নিয়ে আসে। এই প্রবীরকে সহিংস পদ্ধতি, বদমেজাজ ও গালিগালাজের জন্য বরখাস্ত করা হয়েছিল।এরপর ঘটতে থাকে নানা ঘটনা

৫. স্ট্রেঞ্জার্স ইন দ্য ট্রেন: হিচকক–এর আরেক থ্রিলার। টেনিস তারকা গাই হেইন্স স্ত্রী মিরিয়ামকে ডিভোর্স দিতে চায় । আর বিয়ে করতে চায় সিনেটরের সুন্দরী মেয়ে এনে মরটনকে। একদিন ট্রেনে দেখা হয় অপরিচিত ব্রুনো অ্যান্থনির সঙ্গে। সে প্রস্তাব দেয় যে সে মিরিয়ামকে খুন করে দিবে, বিনিময়ে ব্রুনোর বাবাকে খুন করতে হবে গাইকে । একদিন সত্যি সত্যি ব্রুনো মিরিয়ামকে খুন করে হাজির হয় গাই–এর কাছে। তারপর?

![]()

