ডোন্ট লুক নাউ

ডোন্ট লুক নাউ

Reading Time: 2 minutes

ডোন্ট লুক নাউ! মুভিটার নাম আমি আগে শুনিনি। জুলি ক্রিস্টির নাম দেখেই কিনেছি। সঙ্গে ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড। উইকিতে খোঁচা দিয়ে দেখলাম, ডোন্ট লুক নাউ ফাটাফাটি ধরণের বিখ্যাত ছবি। বলা হয় মডার্ন ক্লাসিক। সেরা ব্রিটিশ মুভির একটি ধরা হয় এটিকে। এটি গথিক ঘরানার মুভি। অতিপ্রাকৃতিক ব্যাপার ও রোমান্স মিললে সেটি হয় গথিক ঘরানা।
220px-Dont_look_movieposter.jpg
দেখে আমি আসলেই মুগ্ধ। হিচকক স্টাইল আছে ছবিটায়। সাদারল্যান্ড ও জুলির মেয়ে মারা যায় পানিতে ডুবে। এর কিছুদিন পর তারা যায় ইতালিতে, কাজে। সেখানে পরিচয় হয় দুই বয়স্ক মহিলার সাথে। দুই বোনের একজন আবার অন্ধ। অন্ধ বোনটি জানায় তাদের সেই মেয়ে তার মাধ্যমে যোগাযোগ করছে। মেয়েটি বলছে যে সাদারল্যান্ডের বিপদ, সে যেন ইতালি ছেড়ে চলে যায়। এরপরের ঘটনা আর না বলি।
এককথায় ছবিটি চমৎকার। হিচককের প্রভাব থাকলেও পরিচালকের কৃতিত্বে সেটিও উপভোগ্য। যারা থ্রিলার পছন্দ করেন তাদের দেখাই উচিৎ।
আরেকটি মুভি ইন ব্রুজেস। ব্রুজেস বেলজিয়ামের একটা জায়গা সেখানে আত্মগোপনে আসে দুই হিটম্যান। মানুষ খুন করাই ওদের পেশা। রে (কলিন ফারেল) ভুল করে এক বাচ্চাকে খুন করে ফেলে। ফলে পালিয়ে আসতে হয়েছে, সঙ্গে কেন (ব্রেন্ডার গ্লেশন)। তারা অপক্ষা করছে পরবর্তী আদেশের। হ্যারি (র‌্যালফ ফিনেস) তাদের বস। একদিন হ্যারি ফোন করে কেনকে আদেশ দেয় রে-কে মেরে ফেলতে, কারণ বাচ্চা খুন করায় শাস্তি পেতেই হবে। এর মধ্যে জড়িয়ে পড়ে অনেক কিছু।
220px-In_bruges_post.jpg
থ্রিলার হিসাবে দারুণ। যদিও একে ব্ল্যাক কমেডি বলা হয়েছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে ইন ব্রুজেসকে ফিলম-উইদিন-এ-ফিলম বলা যায়। ছবিটার মধ্যে অনেকগুলো ছবির কথা রয়েছে। তবে শেষ দৃশ্য পর্যন্ত অপক্ষা করলে মনে হবে আসলে এটিও ডোন্ট লুক নাউ থেকেই অনুপ্রানিত।

কাকতালীয় হলেও ছবি দুটির মধ্যে আরও একটা মিল আছে। একটা কারণে ডোন্ট লুক নাউ ব্যাপক আলোচিত একটি মুভি। এটি ১৯৭৩ সালের ছবি। মুভিটায় সাদারল্যান্ড ও জুলি ক্রিস্টির একটি দীর্ঘ ভালবাসাবাসির দৃশ্য আছে। দৃশ্যটি এতোটাই খোলামেলা যে, অনেকে মনে করেন অভিনয় নয়, রিয়েল ভালবাসাবাসি ক্যামেরার সামনেই হয়েছিল। এটি নিয়ে বিতর্ক হলে জুলির সে সময়ের বয়ফ্রেন্ড ওয়ারেন বেটি আমেরিকা থেকে উড়ে এসে পরিচালকের উপর চাপ দিয়েছিলেন দৃশ্যটি বাদ দিতে।
সেই বিতর্ক আবার দেখা দেয় এই ২০১১ সালে। ভ্যারাইটি ম্যাগাজিনের সাবেক সম্পাদক পিটার বার্ট একটি বই লিখেছেন। তিনি বলেছেন, মুভিটির ঐ দৃশ্যের শুটিং-এর সময় তিনি সেটে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি নিজ চোখে দেখেছেন যে সাদারল্যান্ড ও জুলি সত্যিকার সেক্স করেছেন। এরপর সাদারল্যান্ডকে একটি বিবৃতি দিয়ে বলতে হয়েছে যে, পিটারের এই দাবি মিথ্যা।
আর ইন ব্রুজেসের বিতর্ক কলিন ফারেলকে নিয়ে। নিকোল নারায়ন একজন প্লেবয় মডেল। ফারেল ২০০৬ সালে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। অভিযোগ প্রাক্তন এই বান্ধবী তাদের ১৪ মিনিটের একটি অন্তরঙ্গ সময়ের ভিডিও বাজারে ছেড়ে দিয়েছে।

Loading

রেটিং

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *